বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের সুপারস্টার নায়ক এস এম আসলাম তালুকদার মান্নার অবহেলাজনিত মৃত্যুতে দায়ের করা মামলা দ্রুত সমাপ্তি করতে আজ রোববার (৬ আগস্ট) প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তার স্ত্রী শেলী কাদের।
সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
মান্না স্ত্রী শেলী কাদের জানান, ২০০৮ সালে ১৭ সেপ্টেম্বর মাসে ইউনাইটেড হাসপাতালে ছয় চিকিৎসকের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে মামলা করেছি। এখনও তা নিষ্পত্তি হয়নি। আমি মান্না হত্যার ন্যায় বিচার চাই। নায়ক মান্না হত্যার ন্যায় বিচার নিশ্চত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
ইউনাইটেড হাসপাতালের ছয় চিকিৎসকের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ এনে মামলা করেন নায়ক মান্নার স্ত্রী শ্যালক রেজা কাদের। পরে এ মামলার বিচারবিভাগীয় তদন্ত হয়।
আরও পড়ুন: বিনোদন দুনিয়া বিষয়ে বিস্ফোরক তথ্য জানালো তানজিন তিশা...
বিচারবিভাগীয় তদন্তে প্রাথমিকভাবে ডাক্তারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম ২০০৯ সালের ২৮ জানুয়ারি ছয় ডাক্তারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
পরদিনই তারা হাইকোর্টে জামিনের জন্য গেলে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ তাদের আট সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করা আদেশ দেন।
ওই বছরের ১৬ মার্চ চিকিৎসকরা আত্মসর্পণ করলে ৫০ হাজার টাকা বন্ডে স্বাক্ষর করে তারা জামিন লাভ করেন।
এরপর বিশেষ দায়রা জজ ফিরোজ আলম ২০০৯ সালের ১৮ অক্টোবর ছয় ডাক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।
এরপর এক, দুই ও তিন নভেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়। সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ধার্য থাকা দিনেই সংশ্লিষ্ট বিচারক বদলি হয়ে যান। থেমে যায় সাক্ষ্য গ্রহণ।
এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা অভিযোগ গঠনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে একটি রিট করেন। কিন্তু সেই রিট আবেদনের শুানানিও শুরু করছেন না আসামি পক্ষের আইনজীবীরা।






































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































32.jpg)
































