মেহেরপরের গাংনী উপজেলার সাহেবনগর গ্রামের নার্গিস হত্যা মামলায় আজ রবিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রিপতি কুমার বিশ্বাস দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন।
সেই সঙ্গে তাকে তিনটি ধারায় ৪০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হল গাংনী উপজেলা সাহেবনগর গ্রামের ফোরকান আলীর ছেলে বাশারুল ইসলাম এবং জামিল হোসেনের ছেলে ফরজ আলী।
আসামি দুজন পলাতক রয়েছে। অপর আসামি ইয়াকুব আলী ২০২১ সালে মৃত্যুবরণ করায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: কণ্ঠশিল্পী মমতাজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা...
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট কাজী শহীদুল হক বলেন, জমি, জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ২০১৮ সালের ৫ আগস্ট নার্গিস খাতুন নিখোঁজ হন। পরে তার মেয়ে তাসলিমা খাতুন বাদী হয়ে গাংনী থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
অপহরণ মামলায় সন্দেহভাজন ফরজ আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বাসারুল ইসলামের বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে নার্গিস খাতুনের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
১৪ জনের সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এই মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন।
অনলাইন ডেস্ক






































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































32.jpg)
































