মেহেরপুরের গাংনীতে গাড়াবাড়ীয়া গ্রামের বাসিন্দা সহিদুল ইসলামের ছেলে মফিজুল ইসলামের ১ বিঘা ১৫ কাঠা জমির বেগুন ও কপি কেটে তসরুপাত করেছেন দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনা ঘটেছে গত শনিবার ধলা গাড়াবাড়ীয়া মাঠে।
কৃষক মফিজুল ইসলাম বলেন, আমি এই প্রথম কপি এবং বেগুন চাষ করি। এমন অবস্থায় আমার বিক্রয় উপযুক্ত ফসল কেটে তসরুপাত করেছে। আমি লোন নিয়ে আবাদ পরিচালনা করেছি দুইদিন আগে ব্যপাড়িরা এই ফসলের দাম বলে গেছে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। আজ আর তা নেই। আমি একদমই শেষ হয়ে গেছি। কিভাবে লোন পরিশোধ করবো আর কিভাবে সংসার পরিচালনা করবো ভেবে পাচ্ছি না।
তিনি আরও বলেন, আমি আজগরের ছেলে রাজীব, গোভীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম, ধলা গ্রামের নাসিরের ছেলে হুদা মিয়া ও গাড়াবাড়ীয়া গ্রামের আইলহকের ছেলে চঞ্চল ইসলামের কঠিন শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। তারা আমার পারিবারিক শত্রুতার জের ধরে আমার এত বড় ক্ষতি করেছে।
আরও পড়ুন: গাংনীতে স্কুল ছাত্রীর ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার...
এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষকেরা বলেন, এই কপি ও বেগুন কেনার জন্য ব্যপাড়িরা ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা দাম দিয়ে গেছে। সেই ফসল তারা কেটে নষ্ট করে দিয়েছে। আমি তাদের কে তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং আইনের আওতায় এনে কঠোর বিচার দাবি করছি।
এ ঘটনা কে কেন্দ্র করে এলাকাবাসীর কৃষকের মুখে এখন হতাশার ছায়া। তারা শঙ্কায় আছে কখন। তবে তারা দাবি জানিয়েছে, তাদেরকে আইনের আওতায় না আনলে আগামীতে এমন অনেক কৃষকের কপাল পুড়িয়ে দেবে এবং পথে বসিয়ে দিবে।
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রত্যক্ষদর্শীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসীরা।
অনলাইন ডেস্ক






































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































32.jpg)
































