মেহেরপুরের গাংনীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে আপন বোন ও ভাইয়ের স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে মহিবুল ইসলাম ওহিদের বিরুদ্ধে। ঘটনার পরপরই মহিবুল ইসলাম ওহিদ পালিয়ে গেলেও পরে মেহেরপুর হাসপাতাল থেকে ঘাতক মহিবুল ইসলাম ওহিদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২ টার সময় উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের সানঘাট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জাহিদ ও তার বোন শামিমা খাতুন আহত হয়েছে।
নিহতরা হলেন, সানঘাট গ্রামের আব্দুল আজিজের মেয়ে জোসনা খাতুন এবং গাংনী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ও সানঘাট গ্রামের জাহিদ হোসেনের স্ত্রী জাকিয়া খাতুন। ঘাতক মহিবুল ইসলাম ওহিদ সানঘাট গ্রামের আব্দুল আজিজের ছোট ছেলে।
গাংনী থানার (ওসি) মো: তাজুল ইসলাম বলেন, মহিবুল ইসলাম ওহিদ ও তার মেজ ভাই জাহিদ হোসেনের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিলো। ঘটনার সময় পুকুরে মাছ দেয়াকে কেন্দ্র করে বাকবিতন্ডার এক পর্যায় জোসনা খাতুন ও জাকিয়া খাতুনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনার পরপরই মহিবুল ইসলাম ওহিদ পালিয়ে গেলেও পরে মেহেরপুর হাসপাতাল থেকে ঘাতক মহিবুল ইসলাম ওহিদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তরিকুল ইসলাম






































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































32.jpg)
































