মেহেরপুরের গাংনীতে সোনার দোকানে সোনা চুরির ঘটনার তিন দিন পর শনিবার দিনগত রাতে তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার করে মুজিবনগর থেকে চুরির মালামাল সহ চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছেন গাংনী থানা পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাংনী থানার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, গাংনী উপজেলার করমদি গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে সুলতান বাদশা (২২), বিদ্যাধপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে নান্টু মিয়া (৩০), একই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে নোমান (২০) ও মুজিবগর উপজেলার দারিয়াপুর গ্রামের আজিজুল হকের ছেলে ফজল হক (৪০)।
আরও পড়ুন: গাংনীতে শিপুর নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত...
গাংনী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, চলতি বছরের ২৯ আগস্ট দিবাগত রাতে গাংনী উপজেলার করমদি গ্রামে জুয়েলারি দোকানের টিনশেড ও সিলিং কেটে ভিতরে প্রবেশ করে প্রায় ৬-৮ লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণ ও রূপার গহনা চুরির ঘটনা ঘটে। চুরির ঘটনায় মাসুদ রানা (বাবু) বাদী হয়ে ৩০ আগস্ট একটি চুরির মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরও বলেন,তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার করে দুই সেপ্টেম্বর রাতে অভিযান চালিয়ে মুজিবনগর থানা এলাকা থেকে চোর সর্দার বাদশা সহ চার জনকে গ্রেফতার করা হয়। ওই সময় তাদের নিকট থেকে চুরি যাওয়া মালামালের মধ্য থেকে তিন রতি পাকা সোনা ২৪ পিস নাক ফুল ও দশ ভরি রূপার গহনা উদ্ধার করা হয়।
রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আসামীদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক






































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































32.jpg)
































