কয়েক দিনের তীব্র তাপদাহে কাইল মেহেরপুরবাসী। আজ সোমবার দুপুর ১ টার সময় জেলায় সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আর এই এপ্রিলের শুরু থেকেই মৃদু ও মাঝারি তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। যদিও মাঝে কয়েকদিন তাপমাত্রা ৪০থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে নেমে আসে। টানা এই তাপপ্রবাহে দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে জনজীবন।
গতকাল রবিবার সন্ধ্যা ছয়টাযর সময় চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক অফিস সূত্রে জানা যায় জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৪২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আরও পড়ুন: বৃষ্টির প্রার্থনায় চোখের পানি ঝরালো মুসল্লিরা...
তাপদাহে এ জেলার খেটে খাওয়া মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। তীব্র গরম ও রোদের তাপের কারণে শ্রমিক, দিনমজুর, ভ্যান-রিকশা চালকরা কাজ করতে না পেরে অলস সময়ও পার করছেন।
একটু প্রশান্তির খোঁজে গাছের ছায়া ও ঠান্ডা পরিবেশে স্বস্তি খুঁজছে সব শ্রেণির মানুষ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তা-ঘাটে লোকজনের চলাচল সীমিত হয়ে পড়ছে।
তরিকুল ইসলাম






































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































32.jpg)
































