মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মঠমুড়া ইউনিয়নের হোগলবাড়িয়া মাঠে অবৈধভাবে সেচ পাম্প বসানোর অভিযোগ উঠেছে এনারুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বৈধ সেচ পাম্প মালিক আমছের আলী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।
ভুক্তভোগী আমছের আলী জানান, তিনি হোগলবাড়িয়া মাঠে গত চার বছর ধরে বৈধভাবে সেচ পাম্প পরিচালনা করে আসছেন। কিন্তু একই গ্রামের আফছার মণ্ডলের ছেলে এনারুল ইসলাম মাঠের ৫০৩৩ দাগে সেচ পাম্পের লাইসেন্স নিয়ে পরে অবৈধভাবে ৬৮০৪ দাগে জোরপূর্বক অগভীর নলকূপ স্থাপন করেছেন। যার লাইসেন্স নং–৪৯৩।
আমছের আলী আরও বলেন, আমি তাকে বিষয়টি বুঝিয়ে বলতে গেলে সে আমার সঙ্গে অশোভন আচরণ করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। সে এখন আমার স্কীম এলাকায় জোরপূর্বক সেচ দিয়ে যাচ্ছে।
তিনি প্রশাসনের কাছে অবৈধ অগভীর নলকূপটি বাতিল ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
মাঠের চাষিরা জানান, এনারুল ইসলাম প্রথমে কাগজপত্র অনুযায়ী এক স্থানে পাম্প বসানোর কথা থাকলেও দূরত্বের সঠিক মাপ না হওয়ায় তা স্থানান্তর করে অন্য জায়গায় বসান। এতে এক মৌজা থেকে অন্য মৌজায় সেচ পাম্প স্থানান্তর হয়, ফলে আমছের আলীর সেচ এলাকার ভেতরেই পানি লাইন চলে আসে। এতে বৈধ পাম্প মালিক অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এ বিষয়ে গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ করেছেন। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তরিকুল ইসলাম






































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































32.jpg)
































