দলীয় ভিত্তিক বিচার ব্যবস্থাকে রুখে দিতে এবং লেজুড়বৃত্তিক বিচারপতিদের অপসারণ ও ক্যাম্পাসে অপরাজনীতি বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ ও পথসভা করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা। শনিবার (১০ আগস্ট) দুপুর পোনে ২ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা প্রাঙ্গণে একত্রিত হয়ে এই কর্মসূচী পালন করে শিক্ষার্থীরা ৷
এসময় একটি মিছিল বের হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসন ভবনের সামনে যেয়ে এক সমাবেশের রূপ নেয়। মিছিলে শিক্ষার্থীরা অবৈধ বিচারপতি, মানি না মানবো না; স্বৈরাচারের বিচারপতি, মানিনা মানবো না; হাসিনার প্রেতাত্মাকে, মানি না মানবো না; ছাত্রলীগের দালালেরা, হুশিয়ার সাবধান; হাসিনার দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।
প্রশাসনের ভবনের সামনে ছাত্র সমাবেশে বক্তারা বলেন, স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের অপচেষ্টার কারণে বিচার বিভাগ একটি দলীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। যখন বিচারপতি এসকে সিনহাকে সরকারের সিদ্ধান্তকে অবৈধ বলে ঘোষণা দেওয়ায় ন্যাক্কারজনক ভাবে দেশ ছাড়া করা হয় তখনই আমরা বুঝতে পেরেছিলাম যে বিচার বিভাগ আর স্বাধীন নেই।
এছাড়াও, এই বিচারপতি নিয়োগ করার পরে ছাত্রলীগের দালালেরা তাকে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়েছে। তাই আমাদের আর কিছু বোঝার বাকী থাকে না।
সমন্বয়ক এস এম সুইট বলেন, প্রশাসনহীন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনের শেষ দিন থেকে আজ পর্যন্ত শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ও নিরাপত্তা রক্ষায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কাজ করে যাচ্ছে।
আমাদের কার্যক্রমকে ২৪ এর পরাজিত শক্তি আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের দোসররা মেনে নিতে পারছে না। আমাদের দাবীর মুখে ইতোমধ্যেই প্রধান বিচারপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যারা বিভিন্নভাবে আমাদের কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ ও বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে তাদের শক্ত হাতে দমন করতে আমরা প্রস্তুত। এখন ফেসবুক ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের গুজব, প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে, আপনারা এসবের কান দিবেন না।
ইবি প্রতিনিধি






































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































32.jpg)
































