বগুড়ায় রথযাত্রার সময় সঞ্চালন লাইনের সংযোগে বিদ্যুৎতায়িত হয়ে ৫ জন নিহতের ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। ৫ সদস্যের কমিটিকে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
তবে এ ঘটনায় সোমবার সকাল পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি বলে জানা গেছে। রোববার জগন্নাথ দেবের রথ নিয়ে পূণ্যার্থীদের আনন্দযাত্রায় হতাহত হয় অনেকে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রথের মাস্তুলে ছিল লোহার দণ্ড। শহরের সেউজগাড়ী পালপাড়া থেকে সেউজগাড়ী আমতলা মোড়ে সড়কের বিদ্যুতের খুঁটির সাথে সেটির সংযোগ ঘটলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন বহু পুণ্যার্থী। বিদ্যুৎতায়িত হয়ে ৫ জনের প্রাণ যায়। আহত হয় অন্তত ৩৫ জন।
অনলাইন ডেস্ক






































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































32.jpg)
































