মেহেরপুরে বেপরোয়া গতির মাইক্রোবাসের চাপায় ব্যাংক কর্মকর্তা সহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বিকাল সাড়ে পাঁচটার সময় মেহেরপুর চুয়াডাঙ্গা সড়কের ব্রাক অফিস সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, মেহেরপুর সদর উপজেলার উজলপুর গ্রামের হাসানুজ্জামানের ছেলে ব্যাংক কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান (২৫) ও গাংনী উপজেলার ধানখোলা গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে জুবায়ের হোসেন (১১)।
এ ঘটনায় মাইক্রোবাস চালক সহ তিন জন আহত হয়েছে।
মেহেরপুর ফায়ার সার্ভিস এর স্টেশন কর্মকর্তা শামীম রেজা ও নিহত আখতারুজ্জামানের মামা মেহেরপুর পৌর পশুর হাট মালিক শিলন খান বলেন, গাংনী উপজেলার কাথুলী ইউনিয়নের গাড়াবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন পলাশ ( ঢাকা মেট্রো-ঘ ১১- ৮৪৯৭) নাম্বারের মাইক্রোবাস আমঝুপি এলাকা থেকে বেপরোয়া গতিতে মেহেরপুর শহরে আসার পথে প্রথমে একটি ভ্যানগাড়িকে পরে একটি মেহেরপুর-ল ১১-৭৯৯০ নম্বর মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। পরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি সীমানা পিলারের সাথে ধাক্কা দেয় মাইক্রোবাস। মাইক্রোবাসের চাপায়, মোটরসাইকেল চালক ঢাকার রামপুরা এনআরবিসি ব্যাংকের কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান ও তার বন্ধু মেহেরপুর সদর উপজেলার বাড়িবাঁকা গ্রামের মোখলেছুর রহমানের ছেলে আল ইমরান ও ভ্যান গাড়িতে থাকা গাংনী উপজেলার ধানখোলা গ্রামের আলী হোসেন ও তার স্ত্রী শিরিনা খাতুন ছেলে জোবায়ের হোসেন ও মাইক্রো বাস চালক গাংনী উপজেলার গাড়াবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন পলাশ গুরুতর আহত হয়।
সংবাদ পেয়ে মেহেরপুর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয় এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক আখতারুজ্জামান ও জুবায়ের হোসেন কে মৃত ঘোষণা করেন। আহত আল ইমরান রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও আলী হোসেন ও তার স্ত্রী শিরিনা খাতুন মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে মাইক্রোবাস চালক সাজ্জাদ হোসেন পলাশ সহ আহতদের সাথে কথা বলতে চাইলে অসুস্থ থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।
মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মেজবাহ উদ্দিন জানান, মাইক্রোবাস চালক সাজ্জাদ হোসেন পলাশের মোটরযান লাইসেন্স গাড়িতে ছিল না। এছাড়া গাড়ি ফিটনেস সহ অন্যান্য বিষয়ে ত্রুটিপূর্ণ আছে কিনা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দিলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক






































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































32.jpg)
































