সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির ‘প্রত্যয়’ স্কিম প্রত্যাহারের দাবিতে কঠোর আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। দ্রুত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে ক্যাম্পাস ছেড়ে সড়কে অবস্থান নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন তাঁরা। সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অভিন্ন নিয়োগ ও পদোন্নতির নীতিমালা বাতিলেরও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।
মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক ও পার্শ্ববর্তী বাহাদুর শাহ পার্ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে শেষ হয়। এ সময় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা সড়কে অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ ও কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি আবদুল কাদের প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা বৈষম্যমূলক পেনশন কর্মসূচি বাতিল চাই। পাশাপাশি ইউজিসির চাপিয়ে দেওয়া অভিন্ন নিয়োগ ও পদোন্নতির নীতিমালা বাতিল প্রয়োজন। যে নীতিমালা শিক্ষকেরা মানেন না, আমরাও তা মানতে চাই না।’
কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন এই পেনশন কর্মসূচিকে বৈষম্যমূলক উল্লেখ করে এক সপ্তাহ ধরে কর্মবিরতি পালন করছেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ ব্যানারে সমন্বিতভাবে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছেন। কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভবনের সামনে অবস্থান নিচ্ছেন তাঁরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের জ্যেষ্ঠ সদস্য আল-আমিন শিকদার তৌফিক প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সর্বজনীন পেনশন স্কিমকে সাধুবাদ জানাই। তবে তা সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নয়। প্রহসনমূলক এই স্কিম আমাদের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে মুখোশধারী কিছু কালো লোক।’
তিনি বলেন, এই স্কিম বাতিলের দাবিতে সবাই একত্রিত। কঠিন থেকে কঠিনতর আন্দোলন হবে। প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় আঙিনা ছেড়ে রাজপথে কর্মসূচি পালন করবেন তাঁরা।
এদিকে অন্যান্য দিনের মতো আজও পেনশন কর্মসূচি ‘প্রত্যয়’ প্রত্যাহারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষকেরা ভাষাশহীদ রফিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।
জবি প্রতিনিধি






































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































32.jpg)
































