বাগেরহাটের মোংলার পশুর নদীতে লাইটার জাহাজের ধাক্কায় আজ সোমবার (১ এপ্রিল) সকালে ছয় হাজার বস্তায় ১৭৫ মেট্রিক টন সরকারি চাল নিয়ে ডুবে যাওয়া বাল্কহেডটি উদ্ধার করা হয়েছে।
চালসহ ওই বাল্কহেডটি উদ্ধারের কাজ করছে মেসার্স খানজাহান আলী স্যালভেজ নামে একটি উদ্ধারকারী ডুবুরি দল।
পরিবহন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জানায়, চালগুলো উত্তোলনের পর সরকারি নিয়ম মেনেই সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে সরকারি চালের সব ক্ষয়ক্ষতি বহন করবে পরিবহন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বলে জানায় ডুবন্ত বাল্কহেড কর্তৃপক্ষ।
১০ সদস্যের এ দলটি সকাল থেকে প্রায় ৮০০ বস্তা চাল ওঠাতে সক্ষম হয়েছে। তবে সম্পূর্ণ চাল ও বাল্কহেডটি উত্তোলন করতে ৩/৪ দিন সময় লাগবে।
আরও পড়ুন: গুজব বন্ধ না হলে দেশে ফেসবুক-ইউটিউব বন্ধের সিদ্ধান্ত...
নৌপুলিশ জানায়, আগামী ঈদ উপলক্ষে মোংলার গরীব অসহায়দের জন্য প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বরাদ্দের ১৭৫ মেট্রিক টন ছয় হাজার বস্তা চাল ‘এমভি সুফিয়া’ নামে একটি বাল্কহেডে তোলা হয়।
এরপর বাল্কহেডটি খুলনার মহেশ্বরপাশা সিএসডি খাদ্যগুদাম থেকে মোংলার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। বাল্কহেডটি মোংলা নদীর ত্রিমোহনায় পৌঁছালে বিপরীতমুখী ‘এমভি শাহাজাদা-৬’ নামে একটি লাইটার কার্গো জাহাজ পিছন থেকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই ডুবে যায় ‘এমভি সুফিয়া’।
এ চালগুলো মেসার্স সোনারগাঁ শিপিং লাইন্স ও মেসার্স আ. রশিদ শিপিংয়ের দায়িত্বে পরিবহন করা হয়। দুর্ঘটনার সময় জাহাজে থাকা ৫ নাবিকের কোনো ক্ষতি না হলেও নগদ টাকা ও সব মূল্যবান মালামাল ডুবে যায়।
অনলাইন ডেস্ক






































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































32.jpg)
































