রাজধানীর বাজারে কমতে শুরু করেছে তরমুজের দাম। ক্রেতাদের বয়কটের কারণে কয়েকদিন আগেই অর্ধেকের কম দামে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ। তবুও ক্রেতার দেখা পাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।
ইফতারে রোজাদারদের পছন্দের তালিকায় অন্যতম একটি ফল তরমুজ। তবে এবার রোজার আগে থেকেই অস্থির ছিল তরমুজের বাজার।
এর আগে, বাজারে তরমুজ বিক্রি হয়েছিল ১০০ টাকা কেজি দরে। এখন তার দাম অর্ধেকে কমে এসে। মূলত অতিরিক্ত দামের কারণে তরমুজ বয়কট করায় দাম কমছে বলে মনে করেন ভোক্তারা।
ভোক্তারা বলেন, বয়কট করায় কমতে শুরু করেছে তরমুজের দাম। নেমে আসবে ৩০ টাকার নিচে। পাশাপাশি কেজির বদলে পিস হিসেবে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
আরও পড়ুন: বিএনপি নেতাদের বক্তব্যে জিয়াউর রহমানও লজ্জা পাচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী...
বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায়। গত সপ্তাহে যা ছিল ৫০-৬০ টাকা। আর চলতি মাসের শুরুর দিকে প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি হয়েছিল ৯০ টাকার ওপরে।
বিক্রেতারা বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তরমুজ আসছে রাজধানীর বাজারে। এতে বেড়েছে তরমুজের সরবরাহ। কমেছে দামও। তবে বাজারে দেখা নেই পর্যাপ্ত ক্রেতার।
তিনি আরও বলেন, তরমুজের মৌসুম আছে আর মাত্র এক মাসের মতো। রোজার কারণে এখন কিছুটা হলেও বেচাকেনা আছে। ঈদের পর সেটিও থাকবে না হয়তো।
অনলাইন ডেস্ক






































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































32.jpg)
































