বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে মেহেরপুর জেলায় পুলিশের কার্যক্রম। শুক্রবার (৯ আগস্ট) থেকে জেলাজুড়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ টহল চলছে। এতে মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
জানা যায়, মেহেরপুর সদর ও গাংনী থানায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা পুলিশের সঙ্গে টহল চালিয়ে যাচ্ছে। একইসঙ্গে বিজিবি সদস্যরা মুজিবনগর থানায় অবস্থান নিয়ে সহায়তা করছেন। এর পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যরা মুজিবনগর থানা পুলিশের সঙ্গে টহল দিচ্ছে।
সেনাবাহিনীর সহায়তা পেয়ে থানাগুলোও টহল কার্যক্রম শুরু করেছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের গাড়ি বহর জেলা শহর থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যন্ত টহল দিচ্ছে। তারা স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলে নানা প্রকার পরামর্শ দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার বিষয়ে জানাচ্ছেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েকদিন আতঙ্ক ছিলেন এলাকাবাসী। পুলিশের কোনো কার্যক্রম না থাকায় সেই আতঙ্ক আরও বেড়ে যায়। সেনাবাহিনীর গাড়ি বহরের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের দেখে জনমনে স্বস্তি ফিরেছে বলে জানান তারা।
সেনাবাহিনীর সহায়তায় পুলিশের ডিউটি শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদর থানার ওসি কনি মিয়া, গাংনী থানার ওসি তাজুল ইসলাম ও মুজিবনগর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম।
অনলাইন ডেস্ক






































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































32.jpg)
































