খাগড়াছড়ি থেকে অপহৃত কলেজ ছাত্রীকে মামলা রুজুর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে টাঙ্গাইল হতে উদ্ধার করা হয়েছে, অপহরণকারী ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অপহৃত ছাত্রী ভিকটিম খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজের দ্বাদশ ১ম বর্ষের ছাত্রী। সে তার বড় বোনের বাসায় থেকে পড়ালেখা করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মোঃ রাকিব হোসেন (২০) ও আমিনুল ইসলাম (২৫)।
গত ২৪ মার্চ সকালে বাসা থেকে কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করলে পরবর্তীতে সন্ধ্যা হলেও বাসায় না ফেরার বিষয়টি জানতে পারলে ভিকটিমের পিতা ভিকটিম-কে চারদিকে খোঁজাখুজি করেও না পেয়ে মাটিরাঙ্গা থানায় এসে নিখোঁজ ডায়েরি করেন।
পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন এবং সাক্ষীদের নিকট হতে ভিকটিমের পিতা জানতে পারেন যে, ভিকটিম কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সকালে তার বড় মেয়ের বাসা থেকে বের হয়ে মাটিরাঙ্গা হাসপাতাল মোড়ে গাড়ির অপেক্ষায় থাকার সময় মোঃ রাকিব হোসেন (২০) ও অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনের সহায়তায় জোরপূর্বক সিএনজি গাড়ি যোগে ভিকটিমকে অপহরণ করে অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে যায়।
পরে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে মাটিরাঙ্গা থানায় এজাহার দায়ের করলে তার লিখিত এজাহারের ভিত্তিতে মাটিরাঙ্গা থানার মামলা রুজু করা হয়।
আরও পড়ুন: সন্ধান পাওয়া গেলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া বইয়ের মালিকের...
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাটিরাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে একটি অভিযানিক টিম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে খাগড়াছড়িসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় অভিযান পরিচালনা কারে টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী থানা থেকে অপহরণকারী আসামি মোঃ রাকিব হোসেন (২০) ও আমিনুল ইসলাম (২৫)-কে গ্রেফতার করা হয় এবং ভিকটিম-কে উদ্ধার করা হয়।
খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মুক্তা ধর বলেন, ‘আসামিদের বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ এবং ভিকটিমকে বিজ্ঞ আদালতে উপস্থাপন করা হবে।’
মোঃ আনোয়ার হোসেন জীবন






































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































32.jpg)
































