মুন্সিগঞ্জে বাস ও অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষের ৫ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় গুরুত্বর আহত হয়েছে আরও ৩জন। ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সিরাজদিখানের নিমতলা এলাকায় বৃহস্পতিবার দুপুর ১ টায় এ ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রোগী নিয়ে এম্বুল্যান্সটি ঢাকার দিকে যাচ্ছিলো। পথের মধ্যে সিরাজদিখানের নিমতলা এলাকায় এম্বুল্যান্সের চাকা বিকল হয়ে যায়। এতে মহাসড়কের পাশে থেমে এম্বুলেন্সের চাকা মেরামত করা হচ্ছিলো। এসময় গোল্ডেন লাইন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস পেছন থেকে এম্বুলেন্সকে ধাক্কা দেয় এবং দাঁড়িয়ে থাকা এম্বুলেন্স আরোহীদের চাপা দেয়। এতে বাসের চাপায় এম্বুল্যান্সের এক নারী আরোহী ঘটনাস্থলে নিহত হয়। আহত অবস্থায় বাকিদের ঢাকায় নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় আরো ৪জনের।
সংবাদ পেয়ে শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে এসে আহতদের উদ্ধার করে গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এবং আহত বাকী চারজনকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করে।
শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিসে স্টেশন অফিসার দেওয়ান আজাদ জানান, ঘটনাস্থলে নিহত একজনের মরদেহ হাইওয়ে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল কাদের জিলানী জানান, দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত বাস ও অ্যাম্বুলেন্সটি। এ ঘটনায় যাত্রীবাহী বাসটি জব্দ করেছে পুলিশ। তবে দুর্ঘটনার পরেই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়েছেন অভিযুক্ত বাসের চালক ও হেল্পার।
মো: খায়ের রাঢ়ি,মুন্সিগঞ্জ






































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































32.jpg)
































