ভারতের কাছে দুই টেস্টেই বাজেভাবে হেরেছে বাংলাদেশ দল। টি-টোয়েন্টিতে ঘুরে দাঁড়াবে টাইগাররা, এমন আশাও তারা মাটি করে দিলেন। ভারতের দ্বিতীয় সারির দলের বিপক্ষে রীতিমতো ধুঁকেছে শান্তা-লিটনরা।
গতকাল (৬ অক্টোবর) সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে তারা হেরেছে ৭ উইকেটে। রে দঁড়ানো তো দূরে থাক, ভারতের সাথে এতটুকুও লড়াই করতে পারেনি বাংলাদেশ। ভারত এদিন মাঠে নামিয়েছিল দ্বিতীয় সারির একটা দল।
বিশ্বকাপজয়ী স্কোয়াড থেকে এই ম্যাচে মাত্র তিন জনকে নামিয়েছিল তারা। বাংলাদেশের নড়বড়ে ব্যাটিং লাইনআপে প্রথম আঘাত করেছিলেন আর্শদীপ সিং। প্রথম ওভারে লিটন দাসকে সাজঘরে ফেরান তিনি। আর নিজের পরের ওভারে পারভেজ ইমনকে বোল্ড আউট করেন।
আর এর সুবাদে বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করেন বিশ্বকাপজয়ী এই পেসার। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশিবার পাওয়ার প্লে-তে দুই বা তার বেশি উইকেট নেয়ার তালিকায় তিনে উঠে এসেছেন ভারতের এই পেসার। গতকাল বাংলাদেশের বিপক্ষে ৯ম বার পাওয়ার প্লে-তে দুই উইকেট শিকার করেছেন আর্শদীপ।
টি-টোয়েন্টির পাওয়ার প্লে-এর মাঝে সবচেয়ে বেশি দুই বা তার বেশি উইকেট নেয়ার রেকর্ড নিউজিল্যান্ডের টিম সাউদির। ১৩বার টি-টোয়েন্টির প্রথম ৬ ওভারের মধ্যে দুই উইকেট পেয়েছেন তিনি। দুইয়ে আছেন আফগানিস্তানের পেসার নাভিন উল হক। তার এমন কীর্তি আছে ১১ বার। টাইগারদের বিপক্ষে দুই উইকেটের সুবাদে অভিষেকের পর থেকে পাওয়ার প্লে-তে ৩২ উইকেট শিকার করেছেন আর্শদীপ।
আরও পড়ুন: চিকিৎসায় নোবেলজয়ীর নাম ঘোষণা আজ...
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তার অভিষেক হয় ২০২২ সালে। সেই সময়ের পর থেকে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত এই ফরম্যাটের প্রথম ৬ ওভারে তার চেয়ে বেশি উইকেট পায়নি আর কেউই। রেকর্ডবুকে নাম লিখিয়েছেন ভারতের আরেক পেসার মায়াঙ্ক যাদব।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অভিষেকে নিজের প্রথম ওভারেই মেইডেন ওভার পেয়েছিলেন তিনি। ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে বল করতে এসে কোনও রান দেননি মায়াঙ্ক। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারতের হয়ে এমন ঘটনা ঘটলো তৃতীয়বার।
২০০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অভিষেক টি-টোয়েন্টিতে প্রথম ওভারেই মেইডেন পেয়েছিলেন অজিত আগারকার। ২০২২ সালে এমন কীর্তি গড়েন আর্শদীপ সিং। আর সবশেষ এমন কীর্তি গড়লেন মায়াঙ্ক যাদব।
অনলাইন ডেস্ক


























































































































































































































































































































.jpg)








.jpg)









