বাংলাদেশ যে দুটো দলের সঙ্গে এখনও টেস্ট জিতেনি, তার মধ্যে ভারত একটি, অন্যটি দক্ষিণ আফ্রিকা। টেস্ট আঙিনায় পা রাখার ২৩ বছরের মধ্যে এবারের ভারত সিরিজের আগেই বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনাময় মনে করা হচ্ছিল।
কিছুদিন আগেই যে দাপটের সঙ্গে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে এসেছে টাইগাররা। কিন্তু ভারতে প্রথম ম্যাচে নূন্যতম লড়াইও করতে পারল না নাজমুল হোসেন শান্ত বাহিনী।
চেন্নাইয়ে রীতিমতো অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে বাংলাদেশ। ভারতের ৩৭৬ ও ২৮৭ রানের জবাবে দুই ইনিংসে যথাক্রমে ১৪৯ ও ২৩৪ রান করে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। স্বাগতিকরা অনায়াসে জিতেছে ২৮০ রানের বিশাল ব্যবধানে। হারলেও এই টেস্টে ইতিবাচকতা দেখছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
ভারতের প্রথম ইনিংসের কয়েক ঘণ্টা দারুণ বল করেছিল বাংলাদেশের পেস ডিপার্টমেন্ট। দলীয় ৩৪ রানের মধ্যেই রোহিত শর্মা, শুভমান গিল ও বিরাট কোহলির উইকেট তুলে নেন হাসান মাহমুদ। যদিও পরে রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও রবীন্দ্র জাদেজার জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিকরা।
হাসান মাহমুদ ওই ইনিংসে নেন ৫ উইকেট। তাসনকিন ৩ ও নাহিদ রানা একটি উইকেট নেন, মিরাজের শিকারও ১টি। বোলারদের এই পারফরম্যান্সকে সফলতা মনে করেন শান্ত।
ম্যাচ শেষে প্রেজেন্টেশনে তিনি বলেন, ‘পজিটিভ দিকটা হচ্ছে প্রথম দুই তিন ঘণ্টায় হাসান, তাসকিন আর রানার বোলিং। খুবই ভালো। এরপর ভারত ভালো ব্যাট করেছে। সিমারদের মধ্য সবাই অবদান রেখেছে। নতুন বলে আমরা যেভাবে বল করেছি, এটা দারুণ। শেষ কয়েকটি সিরিজে আমরা ভালো বল করেছি। এটা চালিয়ে যেতে হবে।’
প্রথম ইনিংসে ২০ রানে আউট হয়েছিলেন শান্ত। দ্বিতীয় ইনিংসে তিনিই দলীয় সর্বোচ্চ ৮২ রান করেন। এভাবে লম্বা সময় ব্যাটিং করার ইচ্ছা তার।
শান্ত বলেন, ‘ব্যাটার হিসেবে আমি সব সময় অবদান রাখতে চাই। ব্যাট করা উপভোগ করি। কী হবে না হবে, তা না ভেবে যতক্ষণ পারি ব্যাট করে যেতে চাই। প্রক্রিয়াটা অনুসরণ করার চেষ্টা করি। খেলতে চাই নিজেদের শক্তির মধ্যে থেকে। বোলাররা ভালো করেছে, আশা করি ব্যাটাররাও দারুণ কিছু করবে।’
অনলাইন ডেস্ক


























































































































































































































































































































.jpg)








.jpg)









