আবারও ইরানে নীতি পুলিশের টহল, হিজাব না পড়লে পেতে হবে কঠোর শাস্তি

 অনলাইন ডেক্স    ১৭ জুলাই, ২০২৩ ১২:০৭:০০নিউজটি দেখা হয়েছে মোট 16 বার

বাধ্যতামূলক হিজাব আইন কার্যকর করতে আবারও রাস্তায় টহল শুরু করেছে ইরানের বিশেষায়িত বাহিনী নীতি পুলিশ। রোববার (১৬ জুলাই) দেশটির আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর মুখপাত্র সাঈদ মোন্তাজেরাল মাহদি একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে সেপ্টেম্বরে ২২ বছর বয়সী তরুণী মাহসা আমিনির পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর প্রতিবাদে দেশব্যাপী বিক্ষোভ হয়। সরকার বিরোধী এই বিক্ষোভের কারণে নীতি পুলিশের উপস্থিতি অনেকাংশেই বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

গত বছরে ইরানের শরিয়া আইন অনুযায়ী পোষাক না পরার অভিযোগে ইরানের নৈতিকতা পুলিশ আমিনিকে আটক করেছিল। আটকের পর নীতি পুলিশের হেফাজতে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। পরে তেহরানের একটি হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।


এ ঘটনার পর ইরানে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। দেশজুড়ে এমন বিক্ষোভে পর নীতি পুলিশের টহল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: ঈদের দিন সুইডেনে পোড়ানো হয়েছে পবিত্র কোরআন শরিফ...

এতে করে দেশটিতে নীতি পুলিশকে বিলুপ্ত করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছিল। নীতি পুলিশের টহল বন্ধ থাকায় সকলে খবরটি বিশ্বাসও করেছিলো। যদিও এ বাহিনীকে পুরোপুরি বিলুপ্ত করার খবরটি সঠিক নয় বলে জানিয়েছিল দেশটির সরকার। তাই উক্ত ঘটনার পর প্রায় ১০ মাস পরে আবারও তৎপরতা শুরু করেছে বিশেষায়িত এই বাহিনী।


ইরানের আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর মুখপাত্র সাঈদ মোন্তাজেরাল মাহদি বলেছেন, জনগণ বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠী ও প্রতিষ্ঠানের অনুরোধ এবং প্রেসিডেন্ট ও বিচার বিভাগের করা জোরালো দাবির প্রেক্ষিতে নীতি পুলিশকে আবারও ফিরিয়ে আনার পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: তরুণ রাজনীতিবিদদের বসানো হবেস দলের শূন্য পদে: ইমরান খান...

তিনি দেশটির নারীদের সতর্ক করে বলেন, কেউ যদি সামাজিক রীতিনীতি অমান্য করে, কিংবা অপ্রচলিত কোনো পোশাক পরিধান করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ইরানের শরিয়া আইন অনুযায়ী, নারীদের মাথা ও চুল ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক। তাদের এমন লম্বা ও ঢিলেঢালা পোশাক পরতে হবে, যাতে শরীরের গঠন বোঝা না যায়।

দেশে এই হিজাব আইন অমান্যকারীদের কঠোর শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।

অনলাইন ডেক্স