ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার হাসপাতাল গুলোতে মাত্র ২৪ ঘণ্টার জ্বালানি অবশিষ্ট রয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। এতে করে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে হাজার হাজার রোগীর জীবন।
এক প্রতিবেদনে আজ সোমবার (১৬ অক্টোবর) বিবিসি জানায়, গাজার হাসপাতালগুলোতে যে পরিমাণ জ্বালানির মজুত আছে তাতে আর মাত্র ২৪ ঘণ্টা কাজ চলতে পারে বলে। এই বিষয়টি নিশ্চিত করে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।
জাতিসংঘের মানবিক কার্যালয় তাদের ওয়েবসাইটে বলেছে, ‘জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ার ফলে ব্যাকআপ জেনারেটর বন্ধ হয়ে গেলে গাজায় হাজার হাজার রোগীর জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।’
গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর পাল্টা জবাবে গাজায় হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এমনকি তারা গাজায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি, খাদ্য, পানি ও পণ্য সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে ভূখণ্ডটি অবরুদ্ধ করে রেখেছে।
বিবিসি প্রতিবেদনটিতে আরো জানিয়েছেন, জ্বালানি ও পানিসহ মানবিক সহায়তা দিতে বেশ কয়েকটি ত্রাণ সংস্থা গাজায় প্রবেশের আহ্বান জানানোর পর জাতিসংঘ এ সতর্কবার্তা দিয়েছে।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানে ইমরানের বিদায়ঘণ্টা কারা বাজিয়েছে?...
এর আগে, গাজায় ডক্টরস উইদাউট বর্ডারে কর্মরত ব্রিটিশ-ফিলিস্তিনি সার্জন গাসান আবু সিত্তা জানান, অসুস্থদের সাহায্য করার জন্য তার হাসপাতালের কর্মীদের কাছে পর্যাপ্ত সরঞ্জাম নেই।
এদিকে, গাজা উপত্যকায় পানি সরবরাহ পুনরায় চালু করার আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি (আইসিআরসি)।
জাতিসংঘে আইসিআরসির স্থায়ী পর্যবেক্ষক ল্যাটিটিয়া কোর্তোয়া বলেছেন, ‘যুদ্ধরত উভয় পক্ষের উচিত যুদ্ধে যেন বেসামরিক নাগরিক ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করা। মানুষের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় পণ্যগুলোর সরবরাহ যত দ্রুত সম্ভব পুনরায় চালু করতে সহায়তা করার জন্য আমরা আহ্বান জানাই।’
গত সপ্তাহের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামলা চালায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস। এতে এ পর্যন্ত ইসরাইলের ২৮৬ সেনাসহ ১৪শ লোক নিহত হয়েছেন, আর আহত হয়েছেন কয়েক হাজার সামরিক ও বেসামরিক নাগরিক। এছাড়া বহু মানুষকে বন্দি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছেন, ইসরাইলের পাল্টা হামলায় এ পর্যন্ত গাজায় অন্তত আড়াই হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আর আহত হয়েছেন ১০ হাজারেরও বেশি।
অনলাইন ডেস্ক


























































































































































































.jpg)








.jpg)





























