বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে জরুরি চিকিৎসার জন্য গত ১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক।
তিনি চিঠিতে লিখেছেন, ‘খালেদা জিয়ার মুক্তি রাজনৈতিক সংলাপ ও সমঝোতার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হবে। এমতাবস্থায় আমি আপনার সরকারের কাছে তার মুক্তির বিষয়টি বিবেচনা করে দেখার জন্য আবেদন করছি’।
এতে খালেদা জিয়া দেশের বাইরে গিয়ে তার জরুরি এবং বিশেষায়িত চিকিৎসা গ্রহণ করার সুযোগ পাবেন।
চিঠিতে ভলকার তুর্ক বাংলাদেশ সরকারকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত গ্রেপ্তারসহ সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে এমন সকল স্বেচ্ছাচারী গ্রেপ্তার বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: উত্তরায় রিজভীর নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল...
তিনি বলেন, এভাবে আটক করা হলে তা সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
এছাড়া ৭৮ বছর বয়সী বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া ২০২০ সালে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর গৃহবন্দি অবস্থায় আছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাই কমিশনারের চিঠিতে বলা হয়, খালেদা জিয়া বর্তমানে লিভার সিরোসিস, ডায়াবেটিস এবং হার্টের সমস্যায় ভুগছেন। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন চিকিৎসক বাংলাদেশে এসে তার একটি ছোটখাটো অস্ত্রোপচার করেন।
বাংলাদেশের চিকিৎসকরা বলছেন, বিদেশে চিকিৎসা না পেলে দুইবারের এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জীবন ‘উচ্চ ঝুঁকিতে’ রয়েছে। তবে তার পরিবার চাইছে জার্মানিতে নিয়ে তার লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করাতে। কিন্তু চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে সরকার।
অনলাইন ডেস্ক




























































































































































































































































































































.png)







