শিশু ও বড়দের সোয়েটার, উলের মোজা ও ট্রাউজারের দাম কত হতে পারে? হঠাৎ করে বলাটা কঠিন। বাজার ভেদে এগুলোর দাম হতে পারি বিভিন্ন রকমের। কিন্তু যদি বলা হয় মাত্র ২০- ৩০ টাকায় মিলবে এ সকল শীতের কাপড় তাহলে একটু অবাকই হতে হবে।
অবিশ্বাস হলেও সত্যি, মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার শহীদ আবু সাঈদ চত্বরের পাশে পুরনো পোষাকের দোকানে এই দামেই মিলছে শীতের পোষাক। পৌষের শুরু থেকেই দেশজুড়ে কনকনে শীত, এমন অবস্থায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে ছিন্নমূলক স্বল্প আয়ের মানুষ। প্রয়োজনীয় শীত বস্ত্র না থাকায় শীতের প্রকোপ থেকে রক্ষা পেতে পুরনো গরম কাপড়ের দোকানে ভিড় করছেন ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষ।
সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতা বিক্রেতায় জমজমাট এসব দোকান। শীতের পোশাকের এই বাজারে দেশে-বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নতুন ও পুরাতন পোশাক বিক্রি হয় কম দামে। শীতের পোশাক কিনতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভিড় থাকে ক্রেতা বিক্রেতার। এ মার্কেটে পাওয়া যাচ্ছে কম দামে সোয়েটার, জ্যাকেট, মোজা ও টুপিসহ দেশি বিদেশী কাপড়। নিম্নবৃত্তের পাশাপাশি মার্কেটে ভিড় করেন বিত্তবানরাও।
বড় বড় মার্কেট গুলিতে দাম বেশি হওয়ায় স্বল্প আয়ের মানুষ হিসেবে অল্প দামের মধ্যে এখান থেকে শীতের পোশাক কিনছেন ক্রেতারা।
এদিকে এবছর শীতের প্রকোপ বেশি থাকায় এবং কম দামে ভালো পোষাক পাওয়ায় বিক্রিও ভালো হচ্ছে বলে জানন বিক্রেতারা।
সীমান্তবর্তী জেলা হিসেবে এ জেলায় বিভিন্ন সময় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দেখা যায়। যে কারণে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছররেও গাংনী উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে থেকে গরিব, অসহায়, প্রতিবন্ধী, খেটে খাওয়া মানুষের মধ্যে শীত বস্ত্র বিতরণ শুরু হয়েছে বলে জানান, গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রীতম সাহা।
তরিকুল ইসলাম






















































































































































































