অপ্রয়োজনীয় ভেবে ফেলে দেয়া গরুর নাড়ি-ভুঁড়ি এবং পিজল (বিশেষ অঙ্গ) এখন রফতানি হচ্ছে দেশের বাইরে। বছরে আয় হচ্ছে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। এই ব্যবসা এগিয়ে নিতে সরকারকে ব্যাংক ঋণ-প্রশিক্ষণসহ সব ধরনের সহায়তা নিয়ে উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়ানোর তাগিদ দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদরা।
শুকানোর জন্য থরে থরে সাজিয়ে রোদে দেয়া হয় গরুর পিজল বা বিশেষ অঙ্গ। ৩-৪ দিন রোদে শুকানোর পর শক্ত হয়ে আসলে তা কাটা হয় পরিমাপ মতো। এরপর বাকি প্রক্রিয়া শেষে রফতানি করা হয় দেশের বাইরে।
শুধু পিজল নয়, গরুর নাড়ি-ভুঁড়ি বা ওমাসমও রফতানি হচ্ছে আমেরিকা, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে। পাশাপাশি যত্রতত্র ফেলে পরিবেশ নষ্টের বিপরীতে দেশে আসছে বৈদেশিক মুদ্রা। আমেরিকা ও কানাডায় পোষা প্রাণীর খাবার ও ওমাসম দিয়ে তৈরি হয় খাবার স্যুপ।
আরও পড়ুন: ঢাবিতে কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর হা*ম*লা, আ*হ*ত অন্তত ৮০...
সারাবছর যে পরিমাণ পশু জবাই হয় তার ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ সংগ্রহ হয় ঈদুল আজহায়। এ বছর সারাদেশে ষাঁড় কোরবানি হয়েছে প্রায় ৫০ লাখ।
ব্যবসায়ীরা জানান, এবার পিজল সংগ্রহ করা হয়েছে ১৫ লাখের কাছাকাছি। মান ও সাইজভেদে পিজলের বেচাকেনা হয়েছে ৬০ থেকে ১০০ টাকায়।
অনলাইন ডেস্ক





































































































































