রাজধানীর খুচরা বাজার গুলোতে নিত্যপণ্যের দাম হু হু করে বাড়ছে। বৃষ্টির অজুহাতে বাড়ানো হয়েছে পণ্যের দাম। ৬০ টাকার নিচে মিলছে না কোন সবজি। কিছু সবজির দাম ১০০ টাকার উপরে বিক্রি হচ্ছে।
সাত দিনের ব্যবধানে খুচরা বাজর গুলোতে ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে গেছে। এখন ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কোজিতে। আবার নতুন করে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১০-২০ টাকা। এখন বাজের প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০-১০০ টাকা। আলু বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০ টাকায়। আর মাছে দামও হু হু করে বেড়েছে।
ক্রেতারা বলেন, রাজধানীর বসুন্ধরা বাজারে প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৭০ টাকায়। মুলা বিক্রি হচ্ছে ৭৫-৮০ টাকা। যা আগে ছিল ৬৫-৭০ টাকায়। প্রতি হালি (৪ পিস) ফার্মের ডিম ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
আরও পড়ুন: আবারও বাড়ল এলপিজির দাম...
এছাড়াও প্রতি কেজি গাজর বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। শিম ২০০ টাকা, বেগুন ১২০-১৪০ টাকা, টমেটো ১২০ টকা, শসা ৮০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৬০-১০০ টাকা, প্রতি কেজি কাকরোল ৮০ টাকা, পটোল ৭০ টাকা, লতি ৮০ টাকা ও প্রতি কেজি ঢেঁড়স ৭০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে কয়েক মাস ধরে অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ডিম, আলু ও পেঁয়াজের মূল্য নিয়ে কারসাজি করছে।
অতি মুনাফা করতে প্রতি পিস ডিমের দাম সর্বোচ্চ ১৫-১৬ টাকায় নিয়ে ঠেকায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দুই দফায় পেঁয়াজের দাম ৬৪-৬৫ টাকা নির্ধারণ করে দিলো তা মানছেন না বিক্রিতারা।
এদিকে প্রতি কেজি পাঙাশ ১৮০-২০০ টাকায়। তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২৫০-২৬০ টাকা কেজি। প্রতি কেজি কই ও পাবদা বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকায়, রুই-কাতলার দাম ৩০০টাকায় ও ছোট্টআকারের ইলিশ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০০-৬৫০ টাকায়।
এছাড়াও ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজি বিক্রি হচ্ছে ১১০০-১২০০ টাকা ও এক কেজি সাইজের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৫০০-১৭০০ টাকায়।
অনলাইন ডেস্ক





































































































































