মুখের ভিতর ক্যানসার হলে আমরা একে মুখ ক্যান্সার বা মৌখিক ক্যানসার বলে থাকি। যদি মুখের ক্যানসার প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়ে তাহলে খুব সহজেই এর চিকিৎসা করা যায়।
কিন্তু প্রথমিক অবস্থায় এটা তখনই ধরা পরবে যখন মানুষ এর সম্বন্ধে জানবে এবং এর লক্ষণ গুলো ঠিক করে বুঝতে পারবে। মানবদেহের এ অংশের ক্যানসারের কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে কথা বলেছেন জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. এম নিজামুল হক।
তিনি বলেন, মুখগহ্বরের যে বিভিন্ন অংশ আছে সে অংশের কোনো এক জায়গায় যে ক্যানসারগুলো সৃষ্টি হয় তাকেই ওরাল ক্যাভিটি ক্যানসার বলা হয়। মুখগহ্বরকে আমরা প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করতে পারি। সামনের অংশকে আমরা বলি মুখগহ্বরের সামনের অংশ বা ওরাল ক্যাভিটি প্রপার আর পেছনের অংশকে বলি ওরোফ্যারিংক্স।
মুখের যেসব অংশ ক্যানসারে আক্রান্ত হয় বেশি সেগুলো হলো ঠোঁট, জিহ্বা, গালের ভেতরের অংশ, মাড়ি, মুখের শক্ত ও নরম তালু, গলার নিচের অংশ।
আরও পড়ুন: ২৯ মে ১১১ উপজেলায় ছুটি ঘোষণা...
লক্ষণ হচ্ছে প্রথমে একটা অস্বাভাবিক ব্যথাহীন মাংশপিণ্ড দিয়ে শুরু হতে পারে, ঘা হতে পারে, ঢোক গিলতে ব্যথা অনুভূত হয়, কথা বলতে অসুবিধা হয়, জিহ্বা নাড়াতেও সমস্যা হতে পারে। এর মূল কারণ হচ্ছে- ধূমপান ও পানের সহজলভ্যতা।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় মুখের ক্যানসার দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে বেশি হারে বাড়ছে।
ক্যানসার কতটুকু ছড়িয়েছে সেটি দেখার জন্য এক্স-রে করি, আরো গভীরতা বুঝতে সিটি স্ক্যান, এম আর আইও করে থাকি আমরা। এর মাধ্যমে ক্যানসারের পর্যায় নির্ধারণ করা সম্ভব।
ক্যানসার প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই। তাই সবার আগে প্রয়োজন নিজের সচেতনতা। সপ্তাহে অন্তত একদিন আয়নায় নিজের মুখ-দাঁত দেখে সমস্যা নির্ণয় করতে পারেন। আর প্রতি ছয় মাস পর পর অন্তত একবার একজন ডেন্টিস্টের কাছে চেকআপ করে নিতে পারেন। আর সাধারণভাবে দাঁতের যত্ন নিন, সুস্থ থাকুন।
অনলাইন ডেস্ক






























































































