টিকটকের ব্যাপক জনপ্রিয়তার পরে ফেসবুক ও ইউটিউব তাদের প্লাটফর্মে ছোট ভিডিও (শর্টস) ও রিলসের জন্য আলাদাভাবে ফিচার সংযোজন করে। ব্যবহারকারীরা এখান থেকে আয়ও করতে পারেন।
ছোট দৈর্ঘ্যের এই ভিডিওগুলোকে ইউটিউবে শর্টস এবং ফেসবুকে রিলস নামে পরিচিত। রিলস বানানো যেমন সহজ, তেমনি নির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ অনুসরণ করে প্রাত্যাহিক জীবনের ঘটনাবলী নিয়েই যে কেউ আয় করতে পারেন ফেসবুক রিলস থেকে।
এই উপায়ে আয় করার জন্য প্রাথমিকভাবে রিলস বোনাস প্রোগ্রাম নামের নতুন ফিচার এনেছিল ফেসবুক। ফেসবুকের এই বোনাস প্রোগ্রাম ছিল 'ফেসবুক ইনভাইট অনলি' অফার।
এছাড়াও কয়েকটি উপায়ে এই রিলস দিয়ে ফেসবুকের ব্যবহারকারীরা আয় করে থাকেন। ফেসবুকে ক্রিয়েটরদের এই রিলসগুলোতে স্টার দিতে পারেন সাধারণ ব্যবহারকারীরা। এসব স্টার ফেসবুকের কাছে বিক্রি করে টাকা আয় করে ব্যবহারকারীরা।
এছাড়া একটি রিলস দেখা শেষে স্ক্রল করার পর আরেকটি রিলস চালু হওয়ার আগে ২ রিলসের মাঝে যে বিজ্ঞাপন দেখানো হয়, সেটি পোস্ট-লুপ এড। এর মাধ্যমে ফেসবুকের মনিটেইজেশন থেকে আয় করা যায়। রিলস ভিডিওর দৈর্ঘ্য হতে হবে সর্বোচ্চ ৯০ সেকেন্ড এবং ভিডিও হতে হবে ভার্টিক্যাল বা লম্বালম্বি।
আরও পড়ুন: রাজধানীসহ দেশের পাঁচ বিভাগে আজ হতে পারে ঝড়-বৃষ্টি...
মনিটাইজেশনের জন্য অন্ততপক্ষে ৫ হাজার ফলোয়ার বিশিষ্ট পেজ বা প্রফেশনাল মোডের আইডির প্রয়োজন হবে। তাছাড়া শেষ ২ মাসে ৬০ হাজার মিনিট ওয়াচটাইম থাকতে হবে পেজে।
এসব শর্ত পূরণ হওয়ার পর রিলস মনিটাইজেশন করার জন্য আবেদন করা যাবে। সব ঠিক থাকলে প্রফেশনাল ড্যাশবোর্ডে অথবা ইমেইলের মাধ্যমে মনিটাইজেশনের ব্যাপারটি নিশ্চিত করে মেটা বিজনেস স্যুট।
এইভাবে আবেদন করার পর একবার অনুমোদন পেয়ে গেলে মোবাইল দিয়ে আপ্লোড দেয়া রিলস থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আয় হতে থাকবে একাউন্টে।
অনলাইন ডেস্ক

































































































