ড্রাগন চাষে ‘লাইট ইনডোর্স পদ্ধতি’ ব্যবহারে ফলন বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৩ গুণ। দেশে প্রথমবারের মতো এমন পদ্ধতিতে ড্রাগন চাষ হচ্ছে ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ড উপজেলার চারাতলা গ্রামে।
ফসলের খেতে লাইটিংয়ের ফলে রাতের আধারে অপরূপ এক সৌন্দর্যের সৃষ্টি হয়। যা দেখতে প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা ভিড় করেন বাগানে।
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ড উপজেলার চারাতলা গ্রামের কৃষক বিপ্লব জাহান নতুন এই পদ্ধতি সবার মাঝে পরিচিত করছেন। মাত্র ৩ বছর আগে চারাতলা গ্রামের মাঠের ১১ বিঘা জমিতে গড়ে তোলেন ড্রাগনের বাগান। তাতে তিনি ড্রাগনের ফল আসার মৌসুমে ভালোই ফল পাচ্ছিলেন।
এরপর তিনি চীন থেকে বিদ্যুত সাশ্রয়ী ২৮০০ এলইডি লাইট এনে লাইট ইনডোর্স পদ্ধতিতে ড্রাগন চাষ শুরু করেন। অন্যদিকে সন্ধ্যা নামার সঙ্গে লাইটগুলো জ্বলার পর অপরুপ সৌন্দর্যে রূপ নেয়।
আরও পড়ুন: দুর্ঘটনার কবলে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের টিম বাস...
এমন ভিন্নতা দেখতে প্রতিদিন জড়ো হচ্ছে শতশত মানুষ। দর্শনার্থীরা বলেন, এমন সৌন্দর্য সত্যিই আগে দেখিনি। শোনার পর চলে এসি দেখতে।
বিপ্লব জাহান জানান, ইউটিউব দেখে মুলত এ পদ্ধতির খবর জেনেছি । তারপর শুরু করে ব্যাপক ফলন পাচ্ছি। প্রাথমিকভাবে বড় অংকের টাকা লাগলেও লাভও ৩ গুণ । শীতকালে দিন ছোট হয় তাই দিনের আলো কম হয়। ড্রাগন বেড়ে ওঠে মূলত দিনের আলোয়, তাই এ পদ্ধতিতে চাষ করলে রাতেও ড্রাগনের বেড়ে ওঠা স্বাভাবিক থাকে।
এই বাগানে ৩৩ হাজার ড্রাগনের গাছ রয়েছে। যা থেকে তিনি গতবছর বিক্রি করেছেন ৩০ লাখ টাকার ড্রাগন। ড্রাগন ফল ৩৫০টাকা কেজি দরে বিক্রিও হচ্ছে। এ বছর ৫০ হাজার মেট্রিকটন ড্রাগন উৎপাদন হবে বলে তিনি জানান।
নিজস্ব প্রতিবেদক


















































































