বেইজিং হাঁস চাষে স্বাবলম্বী গাংনীর রহিদুল, মাসে আয় ২ লাখ

 তরিকুল ইসলাম    ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪ ১৪:৫৮:০০নিউজটি দেখা হয়েছে মোট 210 বার

চীনের বেইজিং জাতের ১০০ টি হাঁস পালন করে প্রতি মাসে দুই লখ টাকা আয় করছেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার থানা পাড়া গ্রামের রহিদুল ইসলাম।

প্রায় ২০ বছর ধরে বইলার চাষ করে তেমন লাভের মুখ দেখতে না পেরে পরে তিনি চীনের বেইজিং জাতের হাঁসের কয়েকটি বাচ্চা কিনে তা পালন করেন। রহিদুলের পাশাপাশি খামারের হাঁসের দেখাশোনা করেন তার পরিবারের সদস্যরাও।

বর্তমানে তার খামারে ১০২ টি হাঁস রয়েছে। যা থেকে প্রতি দিন ৮৫ থেকে ৯০ টি ডিম পান তিনি । আর এই ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানোর জন্য তিনি ১লাখ ৭০ হাজার দিয়ে কিনেছেন ২ টি ইনকিউবেটর মেশিন।

তিনি প্রতিটি হাঁসের বাচ্চা বিক্রয় করেন ১০০ থেকে ১১০ টাকায়। দেশের দূরদূরান্ত থেকে অনলাইন ও সরাসরি খামারে এসে এই বাচ্চা ক্রয় করেন অনেকেই। ১০২ টি হাঁস পালন করতে প্রতি মাসে খাবার, ওষুধ ও বিদুৎবিল বাবদ খরচ হয় আনুমানিক তিন হাজার টাকা, যা থেকে প্রতিদিন ৮৫ থেকে ৯০ টি ডিমের বিপরীতে বাচ্চা পান ৮০ টি, যার বিক্রয় মূল্য ৭,৫০০ টাকা। এ থেকে খরচ বাদ দিয়ে প্রতি মাসে ২ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব বলে জানান রহিদুল ইসলাম।

আরও পড়ুন: মেহেরপুরে ভূট্টাক্ষেত থেকে মরদেহ উদ্ধার...

এছাড়া বেকার যুবকদের এই হাঁস চাষের প্রতি উদ্বুদ্ধ করে তাদের সকল ধরণের পরামর্শ দিতে চান তিনি।

রহিদুল ইসলাম যখন খামারে অন্য কাজে ব্যাস্ত থাকেন তখন পরিবারের সদস্যরা তাকে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতাও করেন।

বেইজিং হাঁস একটি জনপ্রিয় প্রাচীন হাঁসের জাত। এটি প্রথম চীনে ডেভেলপ হয়েছিল। বর্তমানে এটি অন্যতম বাণিজ্যিক হাঁসের জাত। অন্যান্য হাঁসের জাতের তুলনায় এরা দ্রুত বৃদ্ধি পায় ও ২ থেকে ৩ বছর পর্যন্ত ডিম দেওয়ার কারনে বেইজিং হাঁস বিশ্বজুড়ে খুব জনপ্রিয়। আর এই কারণে এলাকাবাসীরাও এই হাঁসের খামার করতে চান।

এদিকে রহিদুল ইসলামের খামারের জন্য সকল ধরণের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত উপজেলা প্রানী সম্পদ অফিস।

তরিকুল ইসলাম