টাঙ্গাইল জেলার মধুপরে এই বছরে আনারসের ভালো ফলন হয়েছে। বিগত তিন বছরের চেয়ে এই বছরে আনারসের দাম অনেক কম। তাই চাষিরা লোকসানের আশঙ্কা করছেন বেশি। আমসহ অন্যান্য মৌসুমী ফল বাজারে থাকায় এই ফলের চাহিদা কিছুটা কম। তবে বাজারে অন্যান্য ফলের আমদানি কমতে শুরু করেছে, তাই আনারসের মূল্য সামনে বাড়বে বলে মনে করেণ কৃষি বিভাগ এবং কৃষকদের লোকসান হবে না বলেই মনে করছেন তারা।
মধুপুর উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, বাংলাদেশে আনারস উৎপাদনের অন্যতম স্থান হলো টাঙ্গাইলের মধুপুরের এলাকা। এই উপজেলার ছয় হাজার ৮৪০ হেক্টর জমিতে আনারসের চাষ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় ১৪০ হেক্টর বেশি।
আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গত কয়েক বছরের চেয়ে এবারও ফলন ভালো হয়েছে। মৌসুমের শুরু থেকেই কৃষকেরা আনারস বিক্রি করার জন্য পাইকারি বাজারে আসছেন। কিন্তু দাম অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক কম। মধুপুরের আনারস মূলত গারো বাজার ও জলছত্র পাইকারি বাজার থেকে সারা দেশে সরবরাহ হয়ে থাকে।
আরও পড়ুন: প্রথমবারের মতো দিনাজপুরের আম যাচ্ছে ইংল্যান্ডে...
সাইকেল, রিকশা, ভ্যানসহ নানা যানবাহনে চাষিরা বাগানের আনারস আনছেন বাজারে। বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা আনারস কিনছেন।
এ বাজারের আনারস ব্যবসায়ীরা বলেন, প্রতিদিন প্রায় কোটি টাকার আনারস বেচাকেনা হয়। তবে মৌসুমের শুরুতে কোরবানির ঈদ ছিল। ঈদের কারণে সাধারণ মানুষের অনেক খরচ হয়ে গেছে। তাদের হাতে টাকা কম। তাই আনারসের চাহিদাও কম।
মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন রাসেল বলেন, অন্যান্য মৌসুমী ফল শেষ হয়ে যাচ্ছে এবং আনারসের চাহিদা বাড়ছে। আগামী দিনে আনারসের দাম বাড়বে। এতে কৃষকেরা লাভবান হবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।
অনলাইন ডেস্ক


















































































