গাজীপুরের শ্রীপুরে দার্জিলিং জাতের কমলা রোপণের তিন বছরের মাথায় কমপক্ষে এক হাজার ৪০০ কেজি কমলা উৎপাদন হয়েছে। দার্জিলিং জাতের ১০০ কমলা গাছে দ্বিতীয়বারের উৎপাদনে ভবিষ্যতে আরও বেশি ফলনের আশা করছেন চাষিরা।
চার জন উদ্যোক্তা একত্রে দার্জিলিং জাতের ১০০ কমলা গাছ রোপণ করেছিলেন। সুমিষ্ট কমলার ফলনে খুশি চাষিরা।
শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়নের পশ্চিম সাতখামাইর গ্রামে কমলা বাগানের প্রবেশমুখে দাঁড়ালেই চোখে পড়ে থোকায় থোকায় কমলা লেবু। প্রতি থোকায় কমপক্ষে ১০টি করে কমলা ঝুলে রয়েছে। মৌসুমের শেষ দিকে হওয়ায় প্রায় প্রতিটি গাছে বিচ্ছিন্নভাবে শোভা পাচ্ছে দার্জিলিং জাতের কমলা।

দর্শনার্থীরা বাগানে প্রবেশ করে গাছ থেকে কমলা ছিঁড়ে খাচ্ছেন। নিজ দেশে নিজ হাতে কমলা ছিঁড়ে খাওয়া স্বপ্নের মতো বলে জানিয়েছেন তারা।
আরও পড়ুন: গাংনীতে চার হাজার চাষিদের মাঝে ধানের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ...
উদ্যোক্তারা বলেন, দার্জিলিং এবং মেন্ডারিং কমলা ভারত এবং সিলেটের লাল মাটিতে উৎপাদন হয়। ২০০০ সালে ঝিনাইদহে কমলার উৎপাদন দেখেছি এবং তা থেকেই কমলা চাষে উদ্যোগী হই। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেফিরে দেখি গাজীপুরের লাল মাটিতে কমলা উৎপাদন সম্ভব। ২০২৩ সালে দার্জিলিং ও চায়না মেন্ডারিং দুটোই ভালো উৎপাদন হয়েছে।
গাজীপুরের ফাঁকা লাল মাটির জমি ফেলে না রেখে কৃষি অফিসের সহায়তা নিলে ওই সব জায়গায় কমলা উৎপাদন করা সম্ভব। দেশের মাটিতে যে কমলা হয়, সুমিষ্ট, স্বাদ, রস ঠিক থাকে। একসময় দেশের বাইরে থেকে কমলা আমদানি করতে হবে না। সকলকে কমলা চাষে উৎসাহী হওয়ার আহ্বান জানাই।
শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা বলেন, ‘আমদানি নির্ভরতা কমানোর জন্য অনেক চাষিকে আমরা কমলা চাষে উৎসাহিত করছি। আমরা আমাদের কৃষি প্রদর্শনী থেকে অনেক চাষিকে দার্জিলিং জাতের কমলার চারা বিতরণ করেছি।
অনলাইন ডেস্ক


















































































