মেহেরপুরে চলতি মৌসুমে আলুর বীজের দাম দ্বিগুণ হওয়ায় পণ্যটি চাষ করে লাভ তোলা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন চাষিরা। সরকারি ভাবে গত বছর কার্ডিনাল ও ডায়মন্ড আলুর বীজ দাম নির্ধারণ করে দেয় ৩০ থেকে ৩২ টাকা কেজি। এরিস্টন জাতের আলুর বীজ বিক্রি হয় ৩৫ টাকা কেজিতে।
চলতি বছরে কার্ডিনাল ও ডায়মন্ড আলুর বীজ সরকারি দাম নির্ধারণ করা হয় ৫৬ টাকা। আর এরিস্টন জাতের আলুবীজ বিক্রির দাম নির্ধারণ করা হয় ৬০ টাকা।
খুচরা বাজারে ডায়মন্ড আলু বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা করে। এরিস্টন বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা করে। কার্ডিনাল আলুর বীজ বিএডিসি কর্তৃক শেষ হওয়ায় বাজারে তার দেখা মিলছে না।
কৃষকদের প্রতি বিঘা জমিতে আলু চাষের জন্য বীজ লাগে ছয় মণ হারে। এর সঙ্গে অন্যান্য খরচ যোগ করলে এক বিঘা আলু চাষে চাষিদের মোট খরচ পড়বে ৩০ হাজার টাকা। গত বছর তুলোনায় এই বছের ১৫ হাজার টাকা বেশি।
আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় কৃষকদের মাঝে বীজ-সার বিতরণ...
কৃষকরা বলেন, আমরা গত বছর প্রতি কেজি আলুর বীজ কিনেছি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি করে। এ বছরে আলুর বীজের দাম বেড়ে হয়েছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকায়। তাতে উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে।
বতর্মানে এক বিঘা আলু চাষ করতে প্রায় ৩০ হাজার টাকার প্রয়োজন পড়বে, যা সব কৃষকের পক্ষে জোগাড় করা এক প্রকার অসম্ভব। কেননা এত টাকা খরচ করে আলু উৎপাদন শেষে বাজারে বিক্রি করার সময় কৃষকরা আলুর দাম পায় না।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ অফিসার মোঃ সামসুল আলম বলেন, চলতি মৌসুমে আলু বীজের দাম অন্য বছরের তুলনায় বেশি। কারণ বাজারে খাওয়ার আলুর দাম বেশি হওয়ায় এমনটি হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক


















































































