রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানী যেন সেজেছে অন্য রঙে। কর্মব্যস্ত এ এলাকার বিদ্যানিকেতনের দেয়ালে রং-তুলির ছোঁয়ায় যেন ইট-পাথরের দেয়ালে প্রাণসঞ্চার হয়েছে।
এক সময়ে গুলশান-বনানী এলাকাতে শিয়াল ডাকতো, দেখা মিলতো মেছো বাঘের। হাঁটতে গেলে কৃষ্ণচূড়া গাছের দেখা মিলতো হরহামেশা।
এসব গাছে থাকতো টিয়ে-ফিঙে-বুলবুলির মতো পাখি। সে সময়ের বনানীর বাসিন্দারা তাদের শৈশব কাটিয়েছেন এমন মনরোম প্রাণচঞ্চল প্রকৃতির মধ্যে। কিন্তু কালের বিবর্তনে একসময়ে কৃষ্ণচূড়া ফুলে ছেয়ে থাকা বনানীর রাস্তায় এখন কৃষ্ণচূড়া গাছ চোখে পড়ে না বললেই চলে।
লেকের পাশে দাঁড়ালে আগের মতো দেখা যায় না বনরুই কিংবা শকুনের। সন্ধ্যাবেলা আসে না শেয়ালের ডাক। এ প্রজন্মের শিশুরা বড় হচ্ছে প্রকৃতি বিবর্জিত এক বনানীতে, যেখানে পা বাড়ালেই সারি সারি রেস্টুরেন্ট আর শপিংমল।
আরও পড়ুন: রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ডাকাতির চেষ্টা, আহত ৫...
এই শিশুদের হয়তো শেয়াল দেখাতে বনে-জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া সম্ভব না, অন্তত একসময় বনানীতে যেসব প্রাণী ছিল সেসবের স্মৃতি রং-তুলির মাধ্যমে ধরে রাখা হয়েছে বনানী বিদ্যানিকেতনের পুরো দেয়ালজুড়ে।ৎ

বনানী ২১/এ রোডের বিদ্যানিকেতনের ২৫০ বর্গফুটের দেয়ালে কৃষ্ণচূড়া, পাখ-পাখালি ও নানা ধরনের পশুপাখির এক দীর্ঘ মুর্যাল তৈরি করেছে আর্ট অ্যান্ড সোল।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও মিনা ট্রাস্টের অর্থায়নে ৯ জন দক্ষ চিত্রশিল্পীর শৈল্পিক হাতে গড়ে উঠেছে এই মুর্যাল পেইন্টিং।

























































